খুলনা, বাংলাদেশ | ১৫ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ২৯শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

Breaking News

  ডুমুরিয়ার খর্নিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় বি এনপি নেতা আবুল কাশেম
  ‎ডুমুরিয়ায় ভদ্রানদী খননের মাটি বিক্রি সিন্ডিকেট আবারও সক্রিয়, প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন বিদ্ধ জনগণ
  উখিয়ায় ইয়াবাসহ ৪ ভাই-বোন আটক
  দাকোপ উপজেলা নবগঠিত যাত্রা শিল্পী পরিষদের পরিচিতি সভা
  ডুমুরিয়ায় সরকারি রাস্তা দখল করে ভাড়াটিয়া দোকানদারদের পসরা: চরম ভোগান্তিতে চালক ও সাধারণ মানুষ
  তেরখাদায় উন্নয়ন কার্যক্রম পরিদর্শনে এমপি হেলাল, আবনালী বিলে পোনা অবমুক্ত
  খুলনায় ১১ দলের বিভাগীয় সমাবেশ আরেকটি ‘অনিবার্য বিপ্লবের’ প্রস্তুতি নিন —–ডা. শফিকুর রহমান
  আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দাদের পাশে সরকার, ডুমুরিয়ায় জিআর চাল ও নগদ অর্থ বিতরণ
  যশোরের কেশবপুর-বেতগ্রাম সড়কের বেহাল দশা, দ্রুত সংস্কারের জোর দাবী
  কেশবপুর থানা প্রেসক্লাবের মাসিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত

বারাকপুরে তীব্র লোডশেডিংয়ে জনজীবন বিপর্যস্ত, দ্রুত সমাধানের দাবি এলাকাবাসীর

[ccfic]

দিঘলিয়া (খুলনা) প্রতিনিধি:

‎খুলনার দিঘলিয়া উপজেলার বারাকপুর ইউনিয়নে ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের কারণে জনজীবন চরম দুর্ভোগের মধ্যে পড়েছে। দিন-রাত দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় শিশু, বয়স্ক ও অসুস্থ রোগীরা সবচেয়ে বেশি কষ্টের শিকার হচ্ছেন। তীব্র গরম ও ভ্যাপসা আবহাওয়ায় বিদ্যুৎ বিভ্রাট মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রাকে মারাত্মকভাবে ব্যাহত করছে।স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ২৭ জুন (শনিবার) সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে বলে পূর্বঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। তবে নির্ধারিত সময়ের এক ঘণ্টা পর বিকেল ৫টায় বিদ্যুৎ আসে। রাত ৯টার দিকে আবার বিদ্যুৎ চলে যায়। প্রায় এক ঘণ্টা পর বিদ্যুৎ এলেও তা বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। রাত ১২টার দিকে আবারও বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় এবং রাত ১ টা ১৩ মিনিটে বিদ্যুৎ আসে এবং পুনরায় ২:৫ চলে যায়।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রায় ১৩ থেকে ১৪ ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকায় সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। ঘন ঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা, ব্যবসা-বাণিজ্য, অফিসের কাজ এবং মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।এলাকাবাসীর অভিযোগ, একবার বিদ্যুৎ চলে গেলে তা ফিরতে দুই থেকে আড়াই ঘণ্টা সময় লাগে। কিছুক্ষণ বিদ্যুৎ থাকার পর আবারও চলে যায়। ফলে দিনের পাশাপাশি রাতেও বারবার লোডশেডিংয়ের কারণে মানুষের ঘুম ও দৈনন্দিন কর্মকাণ্ড ব্যাহত হচ্ছে।স্থানীয়রা আরও জানান, হাসপাতালের চিকিৎসাসেবাতেও এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। বিশেষ করে বয়স্ক ব্যক্তি, নারী, ছোট শিশু ও অসুস্থ রোগীরা প্রচণ্ড গরমে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। বিদ্যুৎ না থাকায় অনেকেই শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ছেন।এলাকাবাসীর দাবি, দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং বিভিন্ন বিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তবায়নের পরও দিঘলিয়ায় কেন এত বেশি লোডশেডিং হচ্ছে, তা তাদের বোধগম্য নয়। তাদের অভিযোগ, আশপাশের অনেক উপজেলার তুলনায় দিঘলিয়ায় লোডশেডিংয়ের মাত্রা বেশি হলেও এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর উদ্যোগ চোখে পড়ছে না।বারাকপুর ইউনিয়নসহ দিঘলিয়ার বাসিন্দারা দ্রুত লোডশেডিং কমিয়ে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে বিদ্যুৎ বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তাদের প্রত্যাশা, জনদুর্ভোগ লাঘবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

আরও সংবাদ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

©2025 khulnarsamayerkhobor .com

Developed By: ShimantoIT